সমস্যা এবং সমাধান

ই- পর্চা www.eporcha.gov.bd অনলাইনে যে কোন খতিয়ান, মালিকানা যাচাই প্রক্রিয়া 2022

অনলাইনে যে কোন খতিয়ান: মানুষ জমি জায়গার ব্যাপারে অনেক সচেতন। বিশেষ করে যাদের অনেক জমি জায়গা অনেক বেশি তারা জমি দেখা কিংবা, কিনার জন্য পূর্বে যাচাই বাচাই করার জন্য অনলাইনে সহায়তা চেয়ে থাকেন। তাই ভূমি মন্ত্রণালয় ই- পর্চা www.eporcha.gov.bd  ওয়েবসাইটটি উদ্ভাবন করেছে। এই ওয়েবসাইটটিতে জমি সংক্রান্ত সকল তথ্য পাওয়া যায়। এই ওয়েবসাইটটি ফলো করলে আপনারা দালাল কিংবা লোভনীয় মানুষদের হাতে শিকার হবেন না। অনলাইনে যে কোন খতিয়ান যাচাই করতে পারবেন। সি এস, এস এ, বি এস দিয়াবা ইত্যাদি দিয়ে সার্টিফাইড কপি জন্য আবেদন করতে পারবেন আপনারা।
ই-লিফলেট একটি ডিজিটাল সেবা। বাংলাদেশের ভূমি মন্ত্রণালয় ই-লিফলেট সেবা চালু করেছে। এই প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের দেশেও এই সেবা চালু হয়েছে কিছুদিন ধরে। এর ফলে মানুষের দুর্ভোগ অনেকটাই কমেছে, যদিও দেশের চমকপ্রদ সব তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। কিন্তু পর্যায়ক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। আমাদের দেশের মানুষ জমির ব্যবসা করে। কিন্তু কেনার সময় আমরা সঠিকভাবে মালিকানা যাচাই করতে পারিনি।
যাইহোক, এই পরিষেবাটি চালু হওয়ার পরে, আপনি খুব সহজেই বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে ই-লিফলেটের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আমি লেজারটিও ডাউনলোড করতে পারি। এ সেবা চালু হওয়ার পর সাধারণ মানুষের ভোগান্তি অনেকটাই কমেছে এবং দালালদের ষড়যন্ত্র বন্ধ হয়েছে। জমির মালিকানা যাচাইয়ের জন্য দালাল নিয়োগ করতে হয়েছে। এখন আমরা নিজেরাই মালিকানা যাচাই করতে পারি এবং ই-লিফলেটের জন্য আবেদন করতে পারি।

www eporcha gov bd

আপনারা এই ওয়েবসাইটটি পরিদর্শন করে খুব সহজেই জমির খতিয়ান, দাগ নম্বর এবং মালিকানা সম্পর্কে অবগত হতে পারবেন। www eporcha gov bd ওয়েবসাইটটি পরিদর্শন করা যাবে বিশ্বের যে কোন দেশ থেকে। অতএব আপনারা যদি দেশের বাহিরে কোথাও থাকেন তাহলে সেখানে থেকেও আপনি চাইলে www eporcha gov bd ওয়েবসাইটটি ভিজিট করে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো জেনে নিতে পারেন।

ই পর্চা কি?

ই-পর্চা হচ্ছে এমন একটি অনলাইন প্লাটফর্ম যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি খুব সহজে তার জমির খতিয়ান ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করে রাখতে পারবেন এবং মালিকানা যাচাই করতে পারবেন। ই-পর্চা সেবার মাধ্যমে অর্থাৎ ই-পর্চা লগইন করে আপনারা খুব সহজেই আপনার জমির ই খতিয়ান যাচাই করে নিতে পারবেন। পৃথিবীর যেকোনো স্থান থেকে যেকোনো সময় এই অনলাইন সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। ভূমি মন্ত্রণালয় কর্তৃক এটি একটি ডিজিটাল অনলাইন সেবা।

খতিয়ান নম্বর কি?

জমিসংক্রান্ত অনেক বিষয় সম্পর্কে জানলেও এখনো অনেক ব্যক্তি রয়েছেন যারা খতিয়ান নাম্বার কি বিষয়ে সঠিকভাবে জানে না। খতিয়ান নাম্বার কি কিংবা এর কাজ কি এই বিষয়ে সম্পর্কে জানার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে এক্ষেত্রে আমরা বিষয়টি আপনাদের মাঝে উল্লেখ করছি। খতিয়ান নাম্বার মূলত জমি সংক্রান্ত খাতাগুলো কে আলাদাভাবে চিহ্নিত করার জন্য প্রতিটি খাটের উপর একটি সংখ্যা বরাদ্দ থাকে সেদিকে শুধুমাত্র দ্রুত চিহ্নিত করার কাজে ব্যবহার করা হয়। প্রতিটি খাতাকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করার জন্য প্রতিটি লেজারে অনন্য সংখ্যা বরাদ্দ করা হয়। ফলস্বরূপ, লেজার নম্বর দিয়ে সহজেই খাতা সনাক্ত করা যায়। সাধারণত, একটি মৌজার মধ্যে একজন মালিকের মালিকানাধীন সমস্ত জমি সংগ্রহ করা হয় এবং একই খাতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। খাতা নম্বরটি মূলত জমির মালিককে সহজে সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।

অনলাইন ই পর্চা

অনলাইন ই পর্চার বিষয়ে এখন পর্যন্ত গ্রাম অঞ্চলের মানুষ গ্রহণ অবগত নন। এই বিশাল সেবা থেকে বঞ্চিত অনেকেই। এর উল্লেখযোগ্য কারণ হচ্ছে অনলাইন সেবা সমূহ সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান অর্জনের অভাব। আমরা জানিনা বাংলাদেশ সরকার আমাদের জন্য অনলাইন ভিত্তিক কি কি সেবা প্রদান করছে এই বিষয়ে। তরাং যারা এখন পর্যন্ত অনলাইনে পর্চা সম্পর্কে জানেন না তারা অবশ্যই এখান থেকে এ বিষয়ে বিস্তারিত জ্ঞান অর্জন করবেন। ই-লিফলেট ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার আবেদনের তথ্য যাচাই করুন এবং নাগরিক লগইন বিকল্প থেকে লগইন করুন। আপনি যদি ইতিমধ্যে আবেদন না করে থাকেন তবে সিটিজেন কর্নার বিকল্প থেকে আবেদন করুন। আশা করি বুঝতে পেরেছো. এছাড়াও আপনার যদি কোন তথ্যের প্রয়োজন হয় তাহলে কমেন্টে আমাদের জানান।

eporcha gov bd login

ই পর্চার অফিশিয়াল ওয়েবসাইট তথা বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক পরিচালিত ভূমি মন্ত্রণালয়ের এ অফিসিয়াল ওয়েবসাইটটি থেকে বিভিন্ন সুবিধা গ্রহণের জন্য এই ওয়েবসাইটে লগইন এর প্রয়োজন হয়ে থাকে । এছাড়াও খতিয়ান বা পর্চার জন্য আবেদন করতে গেলে এই ওয়েবসাইটটি লগইন করতে হয়। এই পোষ্টের শেষ দিকে আমরা ওয়েবসাইট লগইন এর লিংক দিয়ে রাখব সেখান থেকে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো সঠিক ভাবে প্রদান করলে ওয়েবসাইটটি লগইন কাজ সম্পন্ন হবে । খুব সহজেই ই-পর্চা লগইন করতে www.eporcha.gov.bd ওয়েবসাইটটি প্রদর্শন করুন আপনারা চাইলে এই লিঙ্ক এ ক্লিক করে ই-পর্চা ওয়েবসাইটে লগইন করে নিতে পারেন। আপনার রেজি: মোবাইল নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন। লগ ইন পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে বা হারিয়ে গেলে নিচের দেওয়া অপশন থেকে পাসওয়ার্ড রিসেট করে নিতে পারেন খুব সহজেই। সুতরাং আপনার অ্যাকাউন্টটি অনুসন্ধান করতে অনুগ্রহ করে আপনার ইমেইল ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর প্রদান করুন।

eporcha gov bd login

খতিয়ান বা পর্চা কত প্রকার?

সাধারণত চার ধরনের খতিয়ান রয়েছে আমাদের দেশে। যথা-

১.সিএস খতিয়ান। (Cadastral Survey)

২.এসএ খতিয়ান । (State Acquisition Survey)

৩.আরএস খতিয়ান। (Revisional Survey)

৪.বিএস খতিয়ান/সিটি জরিপ। (City Survey)

(১) সি, এস খতিয়ান (Cadastral Survey):
ব্রিটিশ শাসনামলে ১৯৪০ সালে সরকার জরিপের মাধ্যমে যে খতিয়ান প্রস্তত করে তাকে সি, এস খতিয়ান বলে। আমাদের দেশে জেলা ভিত্তিক প্রথম যে নক্সা ও ভূমি রেকর্ড প্রস্তুত করা হয় তাকে সি, এস রেকর্ড বলা হয়।

(২) এস, এ খতিয়ান (State Acquisition Survey):
১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ২৭ হতে ৩১ ধারা অনুযায়ী ১৯৫৬-৬৩ সালে যে খতিয়ান প্রস্তুত করা হয় তাকে এস,এ থতিয়ান বলে। অর্থাৎ সরকার কর্তৃক ১৯৫০ সনে জমিদারি অধিগ্রহন ও প্রজাস্বত্ব আইন জারি করার পর যে খতিয়ান প্রস্তুত করা হয় তাকে এস, এ খতিয়ান বলা হয়।

(৩) আর.এস. জরিপ (Revisional Survey):
সি. এস. জরিপ সম্পন্ন হওয়ার সুদীর্ঘ ৫০ বছর পর এই জরিপ পরিচালিত হয়। জমি, মলিক এবং দখলদার ইত্যাদি হালনাগাদ করার নিমিত্তে এ জরিপ সম্পন্ন করা হয়। পূর্বেও ভুল ত্রুটি সংশোধনক্রমে আর. এস জরিপ এতই শুদ্ধ হয় যে এখনো জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের ক্ষেত্রে আর, এস জরিপের উপর নির্ভর করা হয়। এর খতিয়ান ও ম্যাপের উপর মানুষ এখনো অবিচল আস্থা পোষণ করেন।

(৪)বি, এস খতিয়ান/সিটি জরিপ (City Survey):
১৯৯৮-৯৯ সাল হতে বর্তমানে চলমান জরিপকে বি, এস খতিয়ান বা সিটি জরিপ বলে। যা এখনো চলমান।

অনলাইনে জমির মালিকানা যাচাই প্রক্রিয়া

বর্তমান তথ্য প্রযুক্তি যেভাবে এগিয়ে চলছে তাতে আপনাকে জমির মালিকানা যাচাই বাছাই করার জন্য ভূমি অফিসে গিয়ে অযথা হয়রানি হওয়ার প্রয়োজন হবে না। আপনি ঘরে বসেই বাংলাদেশ ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে জমির আসল মালিক কে খুঁজে বের করতে পারবেন। ওয়েবসাইটে প্রবেশ করলে যে ধরনের ফ্রম দেখতে পাবেন সেটি নিচে উল্লেখ করে দেওয়া হল। উল্লেখ্যিত একটি ফরম দেখতে পারবেন।

জমির খতিয়ান

অনলাইনে যে কোন খতিয়ান

প্রথমে ভিজিট করুন https://eporcha.gov.bd/khatian-search-panel

বিভাগ নির্বাচন: আপনি কোন বিভাগে বাস করেন সেই বিভাগ নির্বাচন করতে হবে।

জেলা নির্বাচন: আপনি যে জেলার অন্তর্ভুক্ত সেই জেলার নাম নির্বাচন করুন। তবে আমাদের পরামর্শ হচ্ছে আপনাকে অবশ্যই নিজের সম্পর্কে সবকিছু সঠিক তথ্য দিতে হবে। তা না হলে আপনি অনেক জটিলতায় পড়তে পারেন।

উপজেলা নির্বাচন: যেই উপজেলার অন্তর্ভুক্ত আপনি সেই জেলার নাম নির্বাচন করুন।

মৌজা নির্বাচন: আপনার মৌজার নাম নির্বাচন করুন।

খতিয়ান টাইপ নির্বাচন: যে ধরনের খতিয়ান বের করতে চান সেই ধরণ নির্বাচন করুন।

খতিয়ান নং: যে জমির পর্চা বের করবেন তা নির্বাচন করুন।

দাগ নাম্বার: দাগ নম্বর জানা থাকলে নির্বাচন করুন।

মালিকের নাম: মালিকের নাম উল্লেখ থাকলে ম্যানশন করুন।

পিতা /স্বামীর নাম: উল্লেখ থাকলে দিতে পারেন।

ক্যাপচা কোড: উপরে দেওয়া ক্যাপচা কোড টি সিলেক্ট করে অনুসন্ধান বাটনে ক্লিক করুন।

ই পর্চা খতিয়ান (eporcha gov bd khatian)

আপনারা কি ই পর্চা খতিয়ান ঘরে বসেই যাচাই করতে চাচ্ছেন? ই পর্চা খতিয়ান হচ্ছে ডিজিটাল সার্ভিসের প্রধান আকর্ষণ যার মাধ্যমে বাংলাদেশের নাগরিক ঘরে বসেই ই পর্চা খতিয়ান যাচাই বা সংগ্রহ করতে পারে। এখানে চার ধরনের খতিয়ান বিদ্যমান আছে বাংলাদেশে এবং সব ধরনের খতিয়ান সংগ্রহ করতে পারবেন ই পর্চা খতিয়ান থেকে। হোম ডেলিভারি সার্ভিসের মাধ্যমে আপনি চাইলেই ই পর্চা খতিয়ান ঘরে বসেই যাচাই করতে পারেন।

দাগ নাম্বার দিয়ে জমির মালিকের নাম

খুব সহজেই এখন থেকে আপনারা চাইলে ঘরে বসেই জমির দাগ নাম্বার দিয়ে জমির মালিকের নাম জেনে নিতে পারবেন ই-পর্চা ওয়েবসাইট অনুসন্ধান করে। অতএব আমাদের উল্লেখিত পদ্ধতি ব্যবহার করুন এবং সঠিক তথ্য ইনপুট করুন। আমরা আশা করি সার্চ প্যানেল থেকে আপনারা অতি সহজেই জমির আসল মালিকের নাম বের করতে সক্ষম হবেন দাগ নাম্বার দিয়ে।

ই পর্চা সার্টিফাইড কপি সংগ্রহ

আপনি কি জানেন যে বাড়িতে সার্টিফাইড কপি সংগ্রহ করা সম্ভব? তাই আপনি যদি বাড়ি থেকে ipad 4 সার্টিফাইড কপি নিতে চান তাহলে আপনাকে আমাদের দেওয়া ধাপগুলি অনুসরণ করতে হবে। আপনি যদি প্রত্যয়িত অনুলিপিগুলি নিজে তুলতে ব্যর্থ হন বা সময়ের অভাবে তা করতে ব্যর্থ হন তবে আপনি পোস্টের মাধ্যমে কথা বলতে পারেন। এই ক্ষেত্রে, আপনি ঘরে বসে সার্টিফাইড কপি পেতে সক্ষম হবেন। অনেকেই এই সমস্যা নিয়ে চিন্তিত। এই ক্ষেত্রে, আমরা এখানে সমস্যাটি উল্লেখ করেছি।

বাড়িতে থেকে সার্টিফাইড কপি সংগ্রহ করুন

ই-পর্চার সার্টিফাইড কপি আপনি বাড়িতে বসে থেকে উত্তোলন করে আনতে পারবেন। কোন কারনেই আপনি যদি ই-পর্চার সার্টিফাইড কপি আনার সময় না পান তাহলে ডাক যোগাযোগের সাথে কথা বলে নিতে পারেন। তারা আপনাকে আপনার সার্টিফাইড কপি বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে যাবে। অনলাইনে যে কোন খতিয়ান, জমির পর্চা পাওয়ার জন্য আবেদন করার সময় আবেদন শেষে নিচে খতিয়ান বা ই-পর্চা পেতে চাই অপশনে ক্লিক করুন। জরুরী হয়ে থাকলে ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে জরুরী সেবা গ্রহণ করতে পারেন। এই জন্য আপনাকে অবশ্যই ফরমে ওখানে জরুরী অপশনে টিক চিহ্ন দিতে হবেই।

ভূমি সেবার হট লাইন নাম্বার

বাংলাদেশ ডিজিটাল হয়েছে। বর্তমানে ডিজিটালাইজেশনের ফলে বাংলাদেশে সবকিছুই হাতের নাগালে। ভূমি মন্ত্রণালয়ও এর ব্যতিক্রম নয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয় সাধারণ জনগণের চেয়ে ভূমি অফিস বেশি হয়রানির শিকার হওয়ার বিষয়টি মাথায় রেখে তাদের হটলাইন নম্বর চালু করেছে। আপনি ভূমি সেবা হটলাইন নাম্বারে কল করে বিস্তারিত জানতে পারবেন। ভূমিসেবার হটলাইন নাম্বারটি হচ্ছে -16122

ই-পর্চা ও ডি আর আর সিস্টেম

সহকারী সম্পর্কে জানতে আগ্রহী অনেকেই। এই ক্ষেত্রে, আমরা এই বিষয়টি এখানে উল্লেখ করেছি। আমরা আশা করি আপনারা যারা এই বিষয় সম্পর্কে জানতে অনলাইনে আছেন তারা এখান থেকে এই বিষয় সম্পর্কে জানতে পারবেন। এমতাবস্থায় আপনাদের মধ্যে একটি বিষয় প্রকাশ করা প্রয়োজন। খাতার অনলাইন কপি দিয়ে, আপনি জমির মালিকানা যাচাই করার পাশাপাশি ব্যবহারিক কাজ সম্পূর্ণ করতে পারেন। সুতরাং খতিয়ানের কপি অর্থাৎ খতিয়ান থেকে কিছু তথ্য সংগ্রহ করে সে তথ্য দিয়ে আপনি জমির মালিকানা যাচাই করতে সক্ষম হবেন। তবে আইন-আদালতের বিষয়ে আসলে আপনাকে অবশ্যই খতিয়ানের সার্টিফাইড কপির প্রয়োজন হবে।

land gov bd

এটি ভূমি মন্ত্রণালয়ের একটি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। অনেকেই এই ওয়েবসাইটটিকে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট হিসেবে উল্লেখ করেন। যাইহোক, এখান থেকে আপনি ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে বিভিন্ন সহায়তা পেতে পারেন এবং ভূমি মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রদত্ত বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করতে পারেন। এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাইট তাই আপনারা যারা এই গুরুত্বপূর্ণ সাইটটি সম্পর্কে আরও জানতে চান তারা সরাসরি এই ওয়েবসাইটটি দেখতে পারেন। অনলাইনে যে কোন খতিয়ান এর জন্য আপনি গুগলে গিয়ে এই ওয়েবসাইটে নাম লিখে সার্চ করতে পারেন। আশা করি এর মাধ্যমে ওয়েবসাইটটি দেখতে পারবেন। আপনি যদি এই ওয়েবসাইট পৃষ্ঠায় যান, আপনি এর পরিষেবা সহ সমস্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন, তাই অনেক ক্ষেত্রে আপনি ভূমি পরিষেবাগুলির জন্য ওয়েবসাইটটি দেখতে পারেন।

আরও কিছু জানতে চাইলে কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে আমাদের জানাতে পারেন। আমরা আপনাকে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সাহায্য করার জন্য আমাদের যথাসাধ্য চেষ্টা করব।
পরিশেষে সম্মানিত ভিজিটরস আমরা সব সময় চেষ্টা করি আমাদের নিবন্ধের সাহায্যে সবাইকে বলতে চাই আরো এমন সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে জানতে অবশ্যই আমাদের সাথে থাকবেন। আজকের নিবন্ধ টি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই সবার সাথে শেয়ার করবেন। এবং আরো নতুন নতুন তথ্য পেতে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করবেন। সাথে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.