সমস্যা এবং সমাধান

পাসপোর্ট এবং ই পাসপোর্ট আবেদন ও চেক করার নিয়ম 2022

পাসপোর্ট এবং ই পাসপোর্ট হচ্ছে এমন একটি অনুমতিপত্র যার মাধ্যমে এক দেশ থেকে অন্য দেশে গমন করা বা অনুমান করা যায়। এক দেশ থেকে অন্য দেশে যাতায়াতের জন্য প্রতিটি দেশে পাসপোর্ট বা ভিসার জন্য আবেদন করতে হয়। মানুষ শুধু দেশেই নয় সারা বিশ্বে জয় স্বপ্ন বুনছে এখন। এই বিশ্ব জয়ের আশায় এক দেশ থেকে অন্য দেশে কাজের জন্য বিভিন্ন শিক্ষার জন্য ব্যবসার ক্ষেত্রে এখন যেতে হয় বিভিন্ন দেশে সেজন্য প্রয়োজন পড়ে পাসপোর্ট-ভিসার। তাই আজ আমি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব পাসপোর্ট ভিসা অনলাইনে কিভাবে আবেদন করবে এবং যাচাই সম্পর্কে। পাসপোর্ট এবং ই পাসপোর্ট আবেদন.

ই- পাসপোর্ট:

ই-পাসপোর্ট হচ্ছে এমন একটি ডিভাইস যেখানে খালি চোখে সব কিছু পড়া যায়‌ও এই ডিভাইসটির মধ্যে একটি সিম থাকে যেখানে ব্যক্তিগত সকল তথ্যাবলী সংরক্ষন করে রাখা যায়। এইখানে শুধু নিদৃষ্ট কম্পিউটার ও আন্তর্জাতিক সীমানা পড়া যায়। চিপ এর মধ্যে আংগুলের আইরিসের স্বাক্ষর ও সংরক্ষিত তথ্যাবলী শুধুমাত্র বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে করা সম্ভব। পাসপোর্ট এবং ই পাসপোর্ট

ই-পাসপোর্টের সুবিধা:

*অনুমোদন পদ্ধতি ইলেকট্রনিক্স।
*পার্সোনালাইজেশন কেন্দ্রীয়।
*আপটুডেট অপারেটিং ব্যবস্থা।
*অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন ব্যবস্থা।
*এখানে ছবি, আঙ্গুলের ছাপ, আইরিশ, স্বাক্ষর ডিজিটাল ফরমেটে করানো হয়।

অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া:

অনলাইনে আবেদন করার জন্য www.passport.bd.com এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে হোম পেজের উপরের দিকের অ্যাপ্লিকেশন অপশনে ক্লিক করলে কিছু নিয়মাবলী আসবে সেখানে কনটিনিউ এনরোলমেন্ট এ ক্লিক করতে হবে।
ধাপ ১:
অবশ্যই আপনারা কোন দেশ থেকে আবেদন করছেন সেটি উল্লেখ করতে হবে।
ধাপ ২:
আপনি যদি নতুন হয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে আবেদন করতে হবে আর যদি পুরাতন হয়ে থাকে তাহলে রিনিউ করার জন্য অন্য লিঙ্কে প্রবেশ করতে হবে।
ধাপ ৩:
আপনারা কোন ধরনের পাসপোর্ট চান অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে যেমন সাধারণ ডিপ্লোমেটিক, অফিশিয়াল। অবশ্যই যে বিষয়ে আবেদন করবেন তার সাপোর্টের জন্য কাগজপত্র জমা করতে হবে।
ধাপ ৪:
আপনি যদি রেগুলার হয়ে থাকেন তাহলে রেগুলার লিখবেন আর জরুরী প্রয়োজন হলে এক্সপ্রেস লিখবেন। এরপর আপনি আপনার ব্যক্তিগত সকল তথ্যাবলী সঠিকভাবে পূরণ করবেন এবং সেভ অপশন এ ক্লিক করে সেভ করবেন। আপনার আবেদন করা যদি সম্পূর্ণ হয়ে থাকে তাহলে আপনাকে ইমেইলে অ্যাপ্লিকেশন নাম্বার ও পাসপোর্ট নাম্বার পাঠিয়ে দেওয়া হবে। কাজ শেষে পেমেন্ট অপশন চলে আসবে তখন আপনি আপনার ডেবিট কার্ড ক্রেডিট কার্ড অথবা মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে সম্পন্ন করতে পারবেন। আবেদন করার 15 দিন পর আপনাকে আপনার ছবি, আঙ্গুলের ছাপ,আইরিশ স্কান, স্বাক্ষর এসব নিয়ে সশরীরে পাসপোর্ট অফিসে আপনাকে উপস্থিত হতে হবে।

পাসপোর্ট যাচাই:

উপরের দেওয়া ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে আপনার এপলিকেশন নাম্বার দিয়ে স্ট্যাটাস আপলোড দেখতে পারেন। উপরের দেয়া তথ্যগুলো আপনারা সঠিকভাবে অনুসরণ করলে খুব সহজেই আপনার পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করতে পারবেন। পাসপোর্ট এবং ই পাসপোর্ট
পরিশেষে ,, বলতে চাই সম্মানিত ‌ভিজিটর বন্ধুরা আপনাদের যদি আমাদের এই নিবন্ধ ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের আজকের পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদের দেখার সুযোগ করে দিন। আমরা আরো ভালো ভালো পোস্ট করার চেষ্টা করবো যাতে আপনারা উপকৃত হন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.