ফিটনেস

ফিটনেস থাকার গুরুত্বপূর্ণ কিছু টিপস

ফিটনেস থাকার গুরুত্বপূর্ণ কিছু টিপস: বর্তমানে ফিটনেস কে থাকতো না চায় কিন্তু অলসতার কারনে সেটা আর সম্ভব হয়ে ওঠেনা। তবে শারীরিক ফিটনেস থাকা এমন কোন কঠিন বিষয় নয়। একটু প্রচেষ্টা এবং ধৈর্য থাকলে প্রত্যেককেই ফিটনেস থাকতে পারবেন। 

 

ফিটনেস থাকতে হলে অবশ্যই স্বাস্থ্যের প্রতি সচেতন হতে হবে এবং স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে হবে। ফিটনেস সুঠাম দেহ একদিকে যেমন সৌন্দর্যের প্রতীক অপর দিকে শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকার ক্ষেত্রে খুবই সহায়ক।

ফিটনেস থাকার গুরুত্বপূর্ণ কিছু টিপস
 ফিটনেস থাকার গুরুত্বপূর্ণ কিছু টিপস

 

কারণ শারীরিক ভাবে ফিট না থাকলে ছোট-বড় নানা রকমের রোগ ব্যাধি থেকে শুরু করে মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।মেদ বহুল স্থূল দেহ কখনোই সুস্থতার পরিচয় বহন করে না। তাই সুস্থ থাকার ক্ষেত্রে শারীরিক ভাবে ফিটনেস থাকার কোনো বিকল্প নেই। তবে ছেলে মেয়ে প্রত্যেকেরই ফিটনেস থাকা অবশ্যক।

আরো পড়ুন….

 

ছেলেদের ফিটনেস থাকার টিপস

নিজের খেয়াল রাখা এবং নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল হওয়ার ক্ষেত্রে মেয়েরা সবচেয়ে বেশি সচেতন। কিন্তু ছেলে মেয়ে প্রত্যেকেরই স্বাস্থ্য ভালো রাখার দরকার আছে।

 

এবং শারীরিক ভাবে থিকনেস থাকার জন্য ছেলেদের অবশ্যই নিজের প্রতি যত্নশীল হতে হবে। ফিটনেস থাকার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যের প্রতি সচেতন হওয়ার বিকল্প নেই।

 

তবে বর্তমান এই যুগের ছেলেরা নিজেদের ফিটনেস শারীরিক সৌন্দর্য এবং স্বাস্থ্যের প্রতি কিছুটা হলেও সচেতন। ছেলেদের ফিটনেস এবং স্বাস্থ্যের প্রতি যত্ন না নিলে দৈহিক সমস্যার পাশাপাশি ব্যায়িক কিছু ছোটখাটো সমস্যা সহজেই চোখে পরে।

 

যেমন বিশেষ করে চুল ঝরে যাওয়া, ত্বক রুক্ষ হওয়া এবং ফেটে যাওয়া। এছাড়াও ত্বকের উজ্জলতা, মসৃণতা এবং সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়।

 

এক্ষেত্রে নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি সচেতন হওয়ার বিকল্প নেই। এই সমস্যা গুলো থাকে মুক্তি পেতে অবশ্যই চুল ও ত্বকের যত্ন নিতে হবে।

 

সাধারণত ছেলেরা বেশিরভাগ সময় ঘরের বাহিরে থাকে এজন্য রোধ এবং ধুলাবালি সহ অনেক ক্ষতিকর দূষণের জন্য চুল ও মাথার ত্বকের ক্ষতি হয়।

 

এক্ষেত্রে ভালো ব্র্যান্ডের মানসম্মত শ্যাম্পু দিয়ে নিয়মিত চুল পরিষ্কার করতে হবে। তাছাড়াও ধুলাবালি ও রোধ ত্বকের জন্য ক্ষতিকর তাই বাহির থেকে ঘরে ফিরে হাত মুখ ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। মুখ মানসম্মত ফেস ওয়াশ দিয়ে ধুতে হবে।

 

সবচেয়ে ভালো ভাবে বাহিরে যাওয়ার পর পূর্বে সানস্ক্রিন মশ্চারাইজার ব্যবহার করা। এবং বাহির থেকে ঘরে ফিরে মুখমন্ডল পরিষ্কার করে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করা।

 

এতে ত্বক ফেটে যাওয়া, অমসৃণ হওয়া, খসখসে রুক্ষ হয়ে যাওয়া এবং উজ্জলতা নষ্ট হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাবে।পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা। যা ত্বক ও চুলের জন্য খুবই উপকারী।

 

এছাড়াও নিজের ব্যবহৃত জিনিসপত্র গুলো অবশ্যই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখে না হলে এগুলো থেকে ব্যাকটেরিয়া আপনার শরীরের নানা রকম ক্ষতি করতে পারে।

 

তাই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়া আবশ্যক। এসবের পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে।  নিয়মিত শরীরচর্চা তো অবশ্যই করতে হবে।

 

শরীরকে ফিটনেস রাখতে হলে প্রতিদিন অন্তত আধঘন্টা শরীরচর্চা করতে হবে। সুস্থ থাকার জন্য এবং শরীরকে ফিটনেস রাখার জন্য ব্যায়ামের গুরুত্ব অতুলনীয়।

 

প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় ভিটামিন সি এর পরিমাণ রাখতে হবে। ভিটামিন সি-এর অগণিত উপকারিতা রয়েছে। আর বিশেষ করে ত্বক ও চুল ভালো রাখতে সহায়তা করে।

 

এছাড়াও শাকসবজি ফলমূল স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। মাছ, মাংস, ডাল, ডিম, শাকসবজি, কিসমিস, বাদাম ইত্যাদি এই খাবার গুলো স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। 

 

ফিটনেস থাকার জন্য নিয়মিত ঘুম অনেক গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত না ঘুমালে কখনোই শরীর সুস্থ থাকবে না। রাত জেগে ফোন ব্যবহার করা অথবা টিভি দেখায় বাজে অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। এবং অতি সকালে ঘুম থেকে উঠে কম পক্ষে আধা ঘন্টা ব্যায়াম করতে হবে।

 

সব সময় হাসি খুশি থাকার চেষ্টা করুন কারণ এটা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। এজন্য কোন জোকস বা মজার বই পড়তে পারেন। অথবা উপন্যাস বা বিভিন্ন রকমের বই পড়তে পারেন। এটা যেমন আপনার জ্ঞান প্রসারিত করবে তেমনি আপনাকে খুশি রাখতে সহায়তা করবে।

 

এছাড়া আপনার কাজ এবং ব্যস্ততার ফাঁকে প্রাকৃতিক আবহাওয়ায় ঘোরাফেরা করতে পারেন। এটি আপনার শরীর ও মন দুটোই সতেজ থাকবে। প্রাকৃতিক আবহাওয়া থেকে মুক্ত শ্বাস নিলে আপনার ভেতরের অনুভূতিটাই পাল্টে যাবে।

 

আর শরীর ও মনের জন্য খুবই উপকারী। এছাড়া পরিবার আপনজন এবং বন্ধুদের সাথে মাঝে মাঝে সময় কাটানো। এতে মানসিক ভাবে আপনি নিজেকে অনেকটা হালকা অনুভব করবেন। ফলে আপনার সহজেই স্বাস্থ্য ভালো থাকবে টেনশন, মানসিক চাপ এবং দুশ্চিন্তা দূর হবে।

 

মেয়েদের ফিটনেস থাকার টিপস

মেয়েরা নিজেদের সৌন্দর্যের ব্যাপারে সচেতন হলেও নিজেদের স্বাস্থ্যের ব্যাপারে ততটা সচেতন নয়। মেয়েরা তাদের সৌন্দর্যের ব্যাপারে যথেষ্ট সচেতন হওয়ায় মেয়েদের সৌন্দর্য রক্ষা নিয়ে কথা না বললেও চলে।

 

বিশেষ করে বাঙালি মেয়েদের কথা যদি বলা হয় এটা শরীর অতিরিক্ত মোটা হয়ে যাওয়ার পরে খাবার খাওয়া কমিয়ে দেয়। যা শারীরিক ভাবে নানা রকমের সমস্যা সৃষ্টি করে।

 

কিন্তু শরীরের ফিটনেস রাখার জন্য তবু তারা শারীরিক পরিশ্রম অথবা ব্যায়াম করতে নারাজ। এটা এক প্রকার অলসতার ছাড়া কিছুই না। খুব কম মেয়েরাই আছে যারা ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রম করে।

 

তাদের আগেও বলেছি শরীরকে ফিটনেস রাখার জন্য ব্যায়াম খুবই দরকারী। উপরে ছেলেদের সেখানে থাকা নিয়ে আলোচনা করেছি। তবে এগুলো মেয়েরা চাইলে ফলো করতে পারে। এখানে ছেলেরা মেয়েদের ফিটনেস টিপস তেমন বৈষম্যতা নেই।তবে যার স্বাস্থ্যের প্রতি তার নিজের সচেতন হওয়া জরুরী। সচেতনতাই স্বাস্থ্য এবং ফিটনেস কে রক্ষা করতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.