সংবাদ

বয়স্ক ভাতার আবেদন, বয়স্ক ভাতার আবেদন ফরম 2021

বয়স্ক ভাতার আবেদন, বয়স্ক ভাতার আবেদন ফরম

আসসালামুয়ালাইকুম/আদাব প্রিয় বন্ধুরা কেমন আছেন ? নিশ্চয়ই ভালো আছেন আপনারা তাই চলুন আজকে আমরা সম্পূর্ণ নতুন বিষয় সম্পর্কে জানি ও বিস্তারিত আলোচনা করি। বর্তমানে বয়স্ক ভাতার আবেদন চলছে অনেকেই আপনারা হয়তো চিন্তিত যে কিভাবে জানবেন। আর চিন্তার কোন কারণ নেই আজকে আমি বয়স্ক ভাতা সম্পর্কে তথ্য নিয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছি। আজকে এই পোস্টের থেকে আপনারা জানতে পারবেন কিভাবে বয়স্ক ভাতার আবেদন করে ,বয়স্ক ভাতার জন্য নূন্যতম যোগ্যতা প্রতি মাসে কত টাকা করে ভাতা পান এই সকল তথ্যাবলী থাকবে। এই পোস্টে।

আমাদের দেশের যে সকল বয়োজ্যেষ্ঠ গরীব দুস্থ উপার্জনক্ষম জনগোষ্ঠীর জন্য সরকার বয়স্ক ভাতার মত উদ্যোগ স্থাপন করেছেন। সামাজিক নিরাপত্তা, দুরস্ত পরিবারদের অবস্থা বিবেচনায় এবং সমাজে তাদের মর্যাদা রাখার জন্য 1997 – 98 অর্থবছরে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয় জাহান্নাম দেওয়া হয়েছে বয়স্ক ভাতা। প্রথমত বাংলাদেশের যতগুলো ইউনিয়ন পরিষদ আছে তাদের প্রত্যেকটি ওয়ার্ড এর 5 জন পুরুষ ও 5 জন মহিলা সহ বয়স্ক ব্যক্তিদের 100 টাকা হারে প্রতিমাসে ভাতা প্রদান হিসেবে আওতাভুক্ত করা হয়। যা পরবর্তীতে সকল পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন কর্মসূচির আওতামুক্ত করা হয়েছে।
এখন আমরা প্রার্থীর নির্বাচনের মানদণ্ড ভাতা প্রাপ্তির যোগ্যতা ও শর্তাবলি ভাতা প্রাপ্তির অযোগ্যতা বয়স্ক ভাতার আবেদন কিভাবে করতে হয়। বয়স্ক ভাতার আবেদন ফরম সম্পর্কিত তথ্যগুলো বয়স্ক ভাতার আবেদন ফরম কি কি নিতে হবে এবং বয়স্ক ভাতা কোথা থেকে তুলতে হয়।

প্রাপ্তি নির্বাচনের মানদন্ড

যে ব্যক্তি বয়স্ক ভাতার আবেদন করবে তাকে বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক হতে হবে তাছাড়া সে বাতিল হিসেবে ঘোষণা হবে।

বয়স

কমপক্ষে 60 বছরের মধ্যে হতে হবে এবং তাদের বয়স সীমা যত বেশি হবে বাস্তবতার অগ্রাধিকার ততো বেশি পাবে।

স্বাস্থ্যগত অবস্থা

যে সমস্ত ব্যক্তি শারীরিকভাবে খুবই দুর্বল তার কাজ করার ক্ষমতা একেবারে নেই সে পাবে বয়স্ক ভাতা।

আর্থিক অবস্থা

যে পরিবারগুলো হতদরিদ্র দূরত্ব ভূমিহীন তাদেরকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে এবং

সামাজিক অবস্থার ক্ষেত্রে

যাদের স্বামী নেই পরিবারের অসচ্ছলতা নিঃসন্তান পরিবার থেকে আলাদা তাদেরকে অবস্থান অনুযায়ী অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

ভূমি মালিকানা

যারা বন্যায় ভূমিহীন হয়ে পড়ে সেবা বসতবাড়ি জমির পরিমাণ 0.5 এরকম তাদেরকে ভূমি হিসেবে ধরে তাদেরকে বয়স্ক ভাতা প্রদান করা হবে।

ভাতা প্রাপ্তির যোগ্যতা ও শর্তাবলি

অবশ্যই স্থানীয় ও নির্দিষ্ট ওয়ার্ডের জনগোষ্ঠী হতে হবে। সরকার প্রাপ্ত জাতীয় পরিচয় পত্র এনআইডি নম্বর অথবা জন্ম নিবন্ধন কার্ড অবশ্যই থাকতে হবে। বয়সের ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের আলাদা সময়সীমা পুরুষের জন্য মহিলাদের জন্য 62 বছরের উর্ধ্বে করছে বাংলাদেশ সরকার। প্রার্থীর বছরের যদি 10 হাজার টাকা আয় না থাকে তাহলে তাকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে । অবশ্যই সময় সীমা সরকার এর আওতাধীন এ অবস্থায় থাকবে। বয়স্ক ভাতার অগ্রাধিকার পর্বে বাছাই করবে বাছাইকৃত কমিটি।

ভাতা প্রাপ্তির অযোগ্যতা

যদি কোন ব্যক্তি সরকারি কর্মচারী হয়ে থাকেন এবং ওই ব্যক্তির পেনশন বরাদ্দ থাকে তাহলে তাকে বাতিল ঘোষণা করা হবে। কেউ কেউ যদি সরকারি অর্থায়নে ভিজিটিং কার্ড ভোগ করে তাহলে তাকে বাতিল করা হবে। সরকারি বিভিন্ন কর্মসূচী থেকে কোন অনুদান পেলেই এমনকি সমাজ কল্যাণ তহবিল কিংবা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন থেকে অনুদান দেওয়া হলে তাকে ও বাতিল করা হবে।

বয়স্ক ভাতার আবেদন কিভাবে করতে হবে

বাংলাদেশের প্রায় 80 ভাগ মানুষ কৃষিকাজে নিজের জীবিকা নির্বাহ করে। তাই অনেকেই দারিদ্রতার কারণে পড়াশোনা করতে পারেনি তাই বর্তমানে গ্রাম্য এলাকার মানুষ গুলো বয়স্ক ভাতার আবেদন সম্পর্কে বেশিরভাগই কিছু জানেনা। বর্তমান ডিজিটাল অনলাইনে কাজের সুবিধার্থে বয়স্ক ভাতার আবেদন অনলাইনে করা হচ্ছে। এসব প্রযুক্তির ব্যবস্থার কারণে আরও গুরুতর কঠিন কাজ হয়ে পড়েছে তাদের জন্য। বয়স্ক ভাতার আবেদন করতে চাইলে তাদের আশে পাশের একজন সচেতন ব্যক্তি সাহায্যে আবেদন করতে পারবে ‌। আবেদন করার সময় অবশ্যই সর্তকতা অবলম্বন করে ফরম পূরণ করতে হবে। ফর্ম এর প্রতিটি ধাপে নিখুঁত ভাবে সম্পন্ন করে দ্বিতীয়বার ভালো করে দেখে ফ্রেন্ড বাটন এ ক্লিক করে দিতে হবে। যদি কোনো রকম ভুল হয়ে যায় তাহলে বাছাই কমিটি সেই আবেদনকে ক্যানসেল করে দিবে।

বয়স্ক ভাতার আবেদন ফরম সম্পর্কে তথ্যাবলী

যে সমস্ত কথা বলেই একজন আবেদনকারীকে দিতে হবে তা হল: বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরমের লাল রংয়ের তারকাচিহ্নিত ঘর আছে সেগুলো ইচ্ছে করলে পূরণ করবেন আবার না করলেও সমস্যা নাই। যদি অর্থ পরিশোধ বিষয়ে কোনো ব্যাপার থাকে তাহলে সেটা ব্যাংকিং লেনদেনের মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। আবেদনকারীর ছবি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড ও দাখিল করে তারপর আপলোড করতে হবে। এরপর ট্রেন বাটনে ক্লিক করলে একটি ম্যাসেজ আসবে পরবর্তীতে তালিকা মূলক হিসেবে একটি প্রাপ্তিস্বীকার বার্তা আপনার কাছে আসবে। অবশ্যই বাক তা সংরক্ষন করে রাখবেন সর্বশেষ পর্যায় বাটনে ক্লিক করলে নাম্বারটি অগ্রগতি জানা যাবে। আপনি আবেদন গ্রহণ না করলে আপনার টাকা সিস্টেম অনুযায়ী সংরক্ষণ থাকবে আবেদনকারী পরবর্তীতে সেটি উত্তোলন করতে পারবেন।

বয়স্ক ভাতার আবেদন ফরম কি কি দিতে হয়

বয়স্ক ভাতার আবেদন এর যেন প্রার্থীকে ফর্ম এর মধ্যে যে সকল তথ্যাবলী উল্লেখ করে দিতে হবে তা হলো আবেদনকারীর বয়স যদি কোনভাবে আবেদনকারীর ভুল বয়স দিয়ে আবেদন করে তাহলে সেই আবেদন বাতিল হয়ে যাবে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক যে ঘোষণা হয়েছে শেখ হাসিনার উপর ভিত্তি করে বয়স্ক ভাতা উল্লেখ করে দিতে হবে। আবেদনকারীর নাম জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার মোবাইল নাম্বার উল্লেখ করতে হবে। আবেদনকারীকে মাতা পিতার নাম বসাতে হবে তার স্থায়ী ঠিকানা বর্তমান ঠিকানা জন্য ছক পূরণ করতে হবে। জন্ম নিবন্ধন কার্ড অনুযায়ী সঠিক বয়স দিতে হবে। আর্থসামাজিক অবগতি ও শারীরিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার কথা জানাতে হবে। নিশ্চয়ই নমনীয় ও আবেদনকারীর স্বাক্ষর থাকতে হবে।

বয়স্ক ভাতা কোথা থেকে তুলতে হয়

প্রত্যেক উপজেলায় সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে বয়স্ক ভাতার ব্যবস্থা করা আছে। যদি কোন উপজেলায় সোনালী ব্যাংক না থাকে তাহলে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে তফসিলি ব্যাংকের বয়স্ক ভাতার টাকা উত্তোলন করা যায়। অথবা 5 বয় নামে একটি বইয়ে দেওয়া থাকে যার মাধ্যমে আবেদনকারী তুলতে পারবে। উপজেলায় বয়স্ক ভাতা প্রাপ্ত ছবি ও নমুনা স্বাক্ষর রক্ষণ অফিস অথবা সমাজসেবা কর্মকর্তা অফিসে রেজিস্টার এর রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। শারীরিক অক্ষমতা বা সুস্থ হলে তার পরবর্তীতে তার পছন্দমতো কাউকে মনোনয়ন করতে পারবে তবে সেই প্রার্থীর ছবি মেম্বার দ্বারা সত্যায়িত করে নিতে হবে। অবশ্য এখন নগদ একাউন্টের মাধ্যমে বয়স্ক ভাতার প্রাপ্ত টাকা লেনদেন করা হচ্ছে। এতে কোনো রকম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে না প্রার্থীকেই ও নিরাপদ ভাবে নির্দিষ্ট সময় মত যে কোন স্থান থেকে বয়স্ক ভাতার টাকা উত্তোলন করতে পারছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *