স্বাস্থ্য

করোনাভাইরাস টিকা নিবন্ধন সিস্টেম, যোগ্যতা, বয়স দিকনির্দেশনা

প্রিয় বন্ধুরা আসসালামু আলাইকুম আপনারা সবাই কেমন আছেন নিশ্চয়ই আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন আমিও ভাল আছি আজকে আমরা স্বাস্থ্য বিষয়ে তথ্য জানবো। বর্তমানে করোনা ভাইরাস নামক মহামারীর কারণে সবাই আতঙ্কে আছেন সেই আতঙ্ক দূর করার জন্য আজকে আমরা করোনাভাইরাস টিকা নিবন্ধন সিস্টেম সম্পর্কে জানব। চলুন তাহলে দেরি না করে জেনে নেই করোনাভাইরাস এর টিকা সম্পর্কে। আমরা সবাই জানি করোনাভাইরাস 31 শে ডিসেম্বর 2020 সালে চীনের উহান শহর থেকে প্রথম সূত্রপাত ঘটেছে। এই ভয়াবহ করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে সারাবিশ্বে লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণ হারিয়েছে। করোনাভাইরাস টিকা নিবন্ধন সিস্টেম, যোগ্যতা, বয়স দিকনির্দেশনা নিচে আলোচনা করা হলো:

 

বৈজ্ঞানিক গন ডাক্তার গবেষক প্রাণপণ চেষ্টা করেছে করোনা নামক ভয়াবহ মহামারীর হাত থেকে আমাদের রক্ষা করার জন্য। দীর্ঘ সময় যাবত নিরলস পরিশ্রম করে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এই মহামারীর প্রতিষেধক আবিষ্কার করেছেন এবং তা দেশে পাঠিয়ে দিতে সচেষ্ট হয়েছে। এর মধ্যে অনেকেই এই টিকা গ্রহণ করেন এবং নিজের শরীরে এন্টিজেন তৈরি করেছেন। বাংলাদেশ-ভারত অন্যান্য দেশেও অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশের প্রথম ও দ্বিতীয় করণা ভাইরাসের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। প্রথমাবস্থায় সকল ডাক্তার স্বাস্থ্যসেবা ও প্রথম শ্রেণীর মানুষদের করণা টিকা দেওয়া হয়েছিল। ভাই সিমের কথা বিবেচনা করে প্রথমে 40 বছরের ঊর্ধ্বে মানুষদের দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা এবং সেটা যেকোনো হসপিটাল থেকে নেওয়া যাবে।

করোনাভাইরাস টিকার নিবন্ধন

বর্তমানে পুরো বাংলাদেশের করোনাভাইরাস এর টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে বাংলাদেশ সরকার কিন্তু প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে এখনো সেই সুযোগ গ্রহণ করতে পারছে না। টিকা গ্রহণের জন্য নিবন্ধন করতে অনেক ধাপ পেরোতে হচ্ছে যা সবার জন্য সুবিধাজনক হচ্ছে না। তাই সেই সকল বন্ধুদের জন্য আজকের কন্টেন্টটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তাই চালুন আমরা করোনাভাইরাস এর দিক নির্দেশনা বলী গুলো মনোযোগ সহকারে পড়ি ও বুঝার চেষ্টা করি।

করোনা টিকা নিবন্ধনের জন্য অনলাইন সিস্টেম:

কিছুদিন আগে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে একটি ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করা হতো কিন্তু সেটি বন্ধ হওয়ার কারণে বর্তমানে অনলাইনের মাধ্যমে করণা টিকা নিবন্ধন করা হচ্ছে। এই ওয়েবসাইটটিতে নিবন্ধন করতে চাইলে-

  • প্রথমত নিজের জাতীয় পরিচয় পত্র, বয়স, পেশা ঠিক করে নিতে হবে।
  • আপনারা বাংলা ইংরেজি যেকোনো ভাষার মাধ্যমে এই ওয়েবসাইটটিতে নিবন্ধন করতে পারবেন তবে অবশ্যই আপনাদের 18 বছরের উর্ধ্বে হতে হবে।
  • অবশ্যই নিজের নাম, বয়স ,পেশা,এনআইডি নাম্বার, স্থানীয় এলাকার নাম সঠিক ভাবে উল্লেখ করতে হবে। *করোনাভাইরাস এর টিকা নিবন্ধনের জন্য কোনরকম ফি নেওয়া হয় না।
  • যদি কারো নিজস্ব কম্পিউটার বা ল্যাপটপ থেকে থাকে তাহলে তিনি সেই কম্পিউটার বা ল্যাপটপের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারবেন।
  • নিবন্ধন সম্পন্ন করার পর একটি কার্ড আসবে অবশ্যই সেই কাজটি আপনাদের সংগ্রহ করে রাখতে হবে কারণ ওই কার্ডের মাধ্যমে আপনাদের করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে।

স্পর্ট রেজিস্ট্রেশন কিভাবে করবেন

আপনি যদি শহরে কিংবা গ্রামের স্থানীয় নাগরিক হয়ে থাকেন তাহলে আপনার নিজস্ব এলাকার লোকাল ক্লিনিক কিংবা ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে টিকা গ্রহণের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

টিকা নেওয়ার জন্য যা যা করবেন:

টিকা নিতে শুধু এনআইডি কার্ড টি বা জাতীয় পরিচয় পত্রের কার্টটি সঙ্গে নিয়ে গেলেই হবে।

টিকাকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে টিকা গ্রহণকারী সেখানকার স্থায়ী টিকাদানকারী স্বাস্থ্য শিবিরের কাছে সাহায্য নিতে পারেন অথবা নিজেও নিবন্ধন করতে পারেন।

ইউনিয়ন পর্যায়ে সহায়তা করার জন্য আইটি কর্মকর্তারা থাকবে বলেও জানান মি: রহমান।

অ্যাপসের মাধ্যমে নিবন্ধন করা না গেলেও সরকারি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটটি মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারবেন এটা তিনি জানিয়েছেন।

এছাড়া আপনারা অন্যান্য স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্য পেতে আমাদের কমেন্ট করে জানাতে পারেন। এছাড়া আপনারা এই মহামারিতে সাবধানে থাকবেন সুস্থ থাকবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.