উৎসব

ঈদুল ফিতর ২০২২ কত তারিখে? ২০২২ সালের রোজার ঈদ কবে

ঈদুল ফিতর ২০২২: সম্মানিত ভিজিটরস আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ আমাদের সাকসেস বিডিনেট ওয়েবসাইটে ভিজিট করার জন্য। চলছে পবিত্র রমজানুল কারীম ২০২২ । এখন প্রশ্ন হচ্ছে ২০২২ সালের রোজার ঈদ কবে হবে। ২০২২ সালের রোজার ঈদের তারিখ । ২০২২ সালের ঈদুল ফিতর কবে। ঈদুল ফিতর ২০২২। রোজার ঈদের তারিখ ২০২২। ঈদ এর তারিখ ২০২২ ।

রোজার ঈদ ২০২২ কবে হবে

বন্ধুরা আপনারা যদি ২০২২ সালের রোজার ঈদ কবে হবে তার খোজ করে থাকেন তাহলে আপনারা সঠিক জায়গায় এসেছেন। আমাদের ওয়েবসাইট হতে আপনারা ২০২২ সালের রোজার ঈদের তারিখ সম্পর্কে জানতে পারবেন। এছাড়াও আমরা আপনাদের কে ঈদ ২০২২ ইংরেজি কত তারিখে সেটাও জানাবো। রোজার ঈদ কবে তা জানার জন্য অবশ্যই আপনাদেরকে ঈদের ইতিহাস ও রমজানের দিনপঞ্জিকা বা রমজানুল কারীম এর ক্যলেন্ডার ২০২২ দেখে নিতে হবে।

রোজার ঈদের তারিখ ২০২২

আমাদের দেশের সকল সরকারী ,আধা সরকারি ,দাপ্তরিক ও প্রশাসনিক কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য ও সরকারি ছুটির তালিকা তৈরির জন্য ইংরেজি ক্যালেন্ডার ও বাংলা ক্যালেন্ডার প্রয়োজন। এছাড়াও, মুসলমানদের ধর্মীয় আচার ও অনুষ্ঠান পালনের জন্য হিজরি সনের ক্যালেন্ডার বা আরবি ক্যালেন্ডার তৈরি অত্যন্ত আবশ্যক। হিজরী সন বা আরবি বছর মূলতঃ চন্দ্র সন বা বছর হিসেবে পরিচিত যেখানে মাসগুলোর গণনা চাঁদের উপর নির্ভর করে হয়ে থাকে। বাংলা, ইংরেজি ও আরবি বছরগুলো শুরুর ক্ষণ আলাদা হওয়ায় এগুলোর তরিখ ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে।

রোজার ঈদ ২০২২ কবে হবে

রমাজান মাসের শেষে শুরু হয় শাওয়াল মাস এবং শাওয়াল মাসের ১ তারিখ অনুষ্ঠিত হয় পবিত্র ঈদুল ফিতর । সাধারণত চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করেই ঠিক করা হয় পবিত্র ঈদুল ফিতর কবে হবে! আবার প্রতি বছর রমজান মাস এক সমান হয় না কোন কোন বার রমজান মাস 30 দিনে হয় আবার কোন কোন বার রমজান মাস 29 দিন হয়ে থাকে।

২০২২ সালের রোজার ঈদ কবে হবে

প্রতিবছরই ঈদ কবে হবে এই নিয়ে অনেকেই ভোগান্তিতে পড়ে যায় তাই চাঁদ দেখা কমিটির উপর নির্ভর করে থাকেন গোটা বাংলাদেশ। অনেক সময় আবার চাঁদ দেখা কমিটি ও তার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারেন না যার প্রমাণ আমরা গত বছরগুলোর দিকে তাকালেই স্পষ্ট প্রমাণ পেয়ে থাকি।চাঁদ দেখা কমিটি একেকবার একেক ঘোষণা দেয়, রাত আটটায় বলে আগামীকাল ঈদ আবার ১২ টায় বলে পরশু দিন ঈদ। তাই চাঁদ দেখা কমিটির উপর নির্ভর করে থাকাটা অনেক সময় বোকামি, তাই চাঁদ দেখা কমিটির উপর নির্ভর না করে নিজেই চাঁদ দেখুন। চাঁদ দেখা আমাদের প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুন্নাত।

সৌদি আরবে রোজার ঈদ কবে?

সাধারণত আমরা জানি মক্কায় ঈদ উদযাপন এর পরের দিনই বাংলাদেশে ঈদ পালিত হয়। এবারের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ২রা মে,সমবার মক্কাতে পবিত্র ঈদুল ফিতর পালিত হবে। সুতরাং বলাই যায় আগামী ৩রা ই মে, মঙ্গলবার বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর পালিত হবে।

এক্ষেত্রে, আমরা জানি যে হিজরি সনের মাসগুলো সাধারণত চাঁদ দেখা উপর শুরু হয় বিধায় ধর্মীয় আচার শবে বরাত, রোজা, শবে কদর, রোজার ঈদ বা ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ কোন মাসের কত তারিখে তা পূর্বে নির্ধারন করা যায় না। তবে, বর্তমানে বিজ্ঞানের কল্যানে নতুন চাঁদ গণনা আগে থেকেই করা সম্ভব। তাহলে বন্ধুরা চলুন দেখে নেয়া যাক ২০২২ সালের ঈদুল ফিতর বা রোজার ঈদ কোন মাসের কত তারিখে হবে।
বাংলাদেশের রোজার ইদের তারিখ ২০২২
ঈদুল ফিতর কবে পালিত হবে বিষয়টি আরো পরিস্কার করার জন্য বলা যেতে পারে, আমরা জানি যে হিজরি সনের মাসগুলো সাধারণত ২৯ ও ৩০ দিনে পূর্ণ হয় থাকে অর্থাৎ এক মাস ৩০ দিনের হলে পরবর্তী মাস ২৯ দিনে সম্পন্ন হয়। এটি বিবেচনায় নিয়েও আমরা ঈদুল ফিতর কবে তা হিসাব করতে পারি। পবিত্র ঈদুল ফিতর যদিও সম্পুর্ন চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে তবুও সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে আগামী ৩রা মে,২০২২ পালিত হতে যাচ্ছে ঈদুল ফিতর। এদিনে ধনী- গরিব সকলের কাছে এক আনন্দ মুখর উৎসবের দিন।
রোজার ইদের তারিখ ২০২২
সবাই মিলে এই দিন ঈদ উৎসবে মেতে থাকে, নতুন জামাকাপড় পরে ছোট ছোট বাচ্চাদের ঈদগাহে দেখা যায়। চারিদিকে উৎসবের আমেজ যেন লেগে যায়,সবার ঘরে ঘরে সেমাই রান্না হয়। এদিনে ধনী-গরীব সবার ঘরে আনন্দ থাকে এবং সকলেই আনন্দের সাথে ঈদ উদযাপন করে। মুসলিমরা সকালে জামায়াত করে পবিত্র ঈদের সালাত আদায় করেন।
২০২২ সালের রোজার ইদের চাঁদ কবে উঠবে
যেহেতু ২০২২ সালের রমজান হিজরি ১৪৪৩ সনে সেহেতু হিজরি ১৪৪৩ সনের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী বাংলাদেশসহ ভারতীয় উপমহাদেশে রমজান মাস শুরু হবে এপ্রিল মাসের ৩ তারিখ। এছাড়া, পূর্ববর্তী মাস অর্থাৎ শাবান মাস যেহেতু ২৯ দিনে মাস পূর্ণ হবে সেহেতু পবিত্র রমজান মাস ৩০ দিনের হবে বলে আমরা আশা করছি। সে হিসেবে পবিত্র ঈদুল ফিতর ২০২২ বা আরবি বছরের একাদশতম মাস শওয়াল শুরু হবে ৩ মে ২০২২। আর সেই হিসেব অনুযায়ী ২০২২ সালের পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হবে ৩ মে ২০২২ মঙ্গলবার।
মুসলমানদের জন্য পৃথক উৎসবের সূচনা হয় দ্বিতীয় হিজরি অর্থাৎ ৬২৪ খ্রিষ্টাব্দে। রাসুল (সা.) যখন মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করতে গেলেন, তখন সেখানে প্রচলিত দু’টি উৎসবের দিন ছিল ১। শরতের পূর্ণিমায় ‘নওরোজ’ এবং ২। বসন্তের পূর্ণিমায় ‘ মেহেরজান’। রাসুল (সা.) জিজ্ঞাসা করলেন, এই দুই দিন কীসের? মদিনাবাসীরা বললেন, জাহেলি যুগ থেকে আমরা এই দুই দিন খেলাধুলা ও আনন্দ করি। রাসুল (সা.) বললেন, আল্লাহ এই দুই দিনের বদলে তোমাদের নতুন দু’টি উৎসবের দিন দিয়েছেন: ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা। (মুসনাদে আহমদ ১৩০৫৮)।
ঈদুল ফিতরের একটি ওয়াজিব বা আবশ্যিক আমল হলো সালাতুল ঈদ বা ঈদের নামাজ। ঈদের উৎসব মুসলিম ভাইয়েরা শুরু করে এই সালাতের মাধ্যমে। ঈদের দিন প্রথম প্রহরে ধনী-দরিদ্র আমির-ফকির নির্বিশেষে সব মুসলমান এক কাতারে দাঁড়ায়। একসঙ্গে আল্লাহর পবিত্রতা ও মহত্ব ঘোষণা করে। পরস্পরের খোঁজ-খবর নেয় ও কুশল বিনিময় করে। ইসলামে মুসলমানদের এই সম্মিলন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাসুল (সা.) নারী পুরুষ নির্বিশেষ সবাইকে ঈদগাহের জমায়েতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এমনকি কোনও নারী যদি ঋতুমতী হওয়ার কারণে নামাজ পড়তে না পারেন, তাকেও ঈদগাহে উপস্থিত হতে বলেছেন।
উম্মে আতিয়্যা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাবালিকা, পর্দানশীন ও ঋতুমতী নারীদের ঈদের সালাতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ঋতুমতী নারীরা সালাতে অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত থাকবে তবে পুণ্যের কাজ (দান-সদকা) ও মুসলমানদের দোয়ায় অংশগ্রহণ করবে।
ঈদের আরেকটি আবশ্যিক আমল হলো “সদকাতুল ফিতর”। রমজানে আদায়কৃত আমলের ত্রুটি দূর করতে ও ক্ষমা প্রাপ্তি খুশীতে মুসলমানরা সদকাতুল ফিতর আদায় করে। সামর্থ্যবান ও সচ্ছল মুসলমানদের ওপর সদকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব। ধনী দরিদ্র নির্বিশেষে সবার মধ্যে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দিতেই সদকাতুল ফিতরের বিধান এসেছে।
ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম রোজাকে বেহুদা ও অশ্লীল কথা-আচরণ থেকে পবিত্র করার উদ্দেশ্যে এবং দরিদ্রদের খাদ্যের ব্যবস্থা করার জন্য সাদাকাতুল ফিতর ফরজ করেছেন। (সুনানে আবু দাউদ ১৬০৯)।

আরবি ১২ মাসের নাম বাংলায়

আরবি মাসের নামগুলো :-

১. মহরম

২. সফর

৩. রবিউল আউয়াল

৪. রবিউস সানি

৫. জমাদিউল আউয়াল

৬.জমাদিউস সানি

৭. রজব

৮. শাবান

৯. রমজান

১০. সওয়াল

১১. জিলকদ ও

১২. জিলহজ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.