টিপস

টিউশনি পাওয়ার সহজ উপায় সমূহ সম্পর্কে জেনে নিন।

টিউশনি পাওয়ার সহজ উপায়-আসসালামুয়ালাইকুম। কেমন আছেন আপনারা সবাই আশা করি সবাই। আল্লাহর রহমতে ভালোই আছেন আমিও আল্লাহর রহমতে ভালই আছি তো আজকে আমি আপনাদের মাঝে নতুন নতুন আটিকেল নিয়ে হাজির হয়েছি তাহলে চলুন শুরু করি আজকের আলোচনাটি দেখে নিই কি নিয়ে থাকছে আমাদের আজকের আলোচনা!

আরো পড়ুন: ফ্রিল্যান্সিং করে যে কাজে বেশি টাকা আয় করতে পারবেন

ঘরে বসে টাকা আয় করার উপায়? অনলাইনে ইনকাম ২০২২

টিউশনি পাওয়ার সহজ উপায়

ছাত্রজীবনে টিউশনি করার মাধ্যমে আপনি আপনার পড়ালেখার খরচ সহ আপনার পরিবারকে সাহায্য করতে পারবেন। টিউশনি করে ছাত্রদের একমাত্র পড়ালেখার খরচ বহনকারী একটি পেশা। টিউশনি পাওয়ার সহজ উপায়, বর্তমানে এই পেশাতে খুবই জনপ্রিয় হয়ে যাচ্ছে। কেননা একজন শিক্ষার্থীর টিউশনির মাধ্যমে ইনকাম করতে পারছে এবং তার নিজের পড়াশুনার পাশাপাশি তার পরিবারকে সহায়তা করতে পারছে।

দেখুন!টিউশনির প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় আপনাকে টিউশনী পেতে অন্যদের থেকে নতুন কিছু করে দেখাতে হবে। নতুন কৌশল প্রয়োগ করতে হবে। আপনি যেমন ভালো টিউশনী পেতে চাচ্ছেন ঠিক তেমনি অন্যকেউ ভালো টিউটর খুজতেছে। তো অবশ্যই আপনাকে এই বিষয়টির ওপর খেয়াল রাখতে হবে। আজকে আমরা টিউশনি পাওয়ার দশটি উপায় সম্পর্কে আপনাদের মাঝে আলোচনা করুন তাহলে চলুন দেখে নেই।

সহজে টিউশনি পাওয়ার 10 টি উপায়

১. নানারকম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সামনে পড়াতে চাই এরকম পোস্টার দেওয়া। আপনারা হয়তো অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সামনে নানা রকম টিউশনি এর পোস্টার দেখে থাকবেন। এই বিষয়টি কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম সহজে টিউশনি পাওয়ার জন্য। আপনি যে টিউশনি করাতে চান এটি কিন্তু অন্যরা জাবে না এজন্য অন্যদেরকে জানাতে আপনারা নানারকম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সামনে আপনি যে টিউশনি করাতে চান এটি একটি পোস্টার তৈরি করে সেখানে দিতে এর মাধ্যমে আপনি পড়াতে চান এটি কিন্তু সবাই জেনে যাবে। তাহলে আপনাকে অনেকেই কন্টাক্ট করে আপনার কাছে পরতে চাইবে। তাহলে বুঝতেই পারছেন এই বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

২. টিউশনি পাওয়ার জন্য অনেকগুলো গ্রুপ রয়েছে ফেসবুকে যেখানে অনেক অভিভাবক তাদের ছেলেমেয়েদের পড়ানোর জন্য টিউটর খুঁজে থাকে। আপনি যদি সেখানে জয়েন থাকেন এবং প্রতিনিয়ত নানা রকম ভাবে সেই গ্রুপগুলো ভিজিট করেন তাহলে কিন্তু সেখান থেকে আপনি আপনার টিউশনি পেয়ে যেতে পারেন। এই মাধ্যমটি বর্তমানে খুবই জনপ্রিয় কেননা এখন সবকিছু অনলাইনে মাধ্যমে করায় এবং সবাই একটু আধুনিকায়নের মাধ্যমে ফেসবুক গ্রুপে এই পোস্ট গুলো দিয়ে থাকে। আপনি সেখান থেকে আপনার আশেপাশে যদি কোন ব্যক্তি টিউশনি দিতে চায় তাহলে আপনারা ফেসবুক গ্রুপ থেকে তাদের টিউশনি পড়াতে পারবেন।

৩. আপনার ফেসবুক প্রোফাইলে টিউশনি করাতে চান এই বিষয়ে ছোট্ট একটি পোস্ট দিলে আপনার আশেপাশের লোকজন জানতে পারবে। যে আপনি টিউশনি করাতে চান আর এর মাধ্যমে আপনার আশেপাশের কেউ যদি পড়তে চায় তাহলে কিন্তু আপনার কাছে পড়তে পারবে। এক্ষেত্রে পোস্টটিতে পুরোপুরি ডিটেইলস সহকারে দিবেন। আপনি কোন ক্লাসের ছেলেমেয়েদের পড়াতে চান এবং কতক্ষণ পড়াতে চান এই বিষয়গুলো দিলে পরবর্তীতে আর কোন রকম ঝামেলা হবে না বর্তমানে ফেসবুকের মাধ্যমে কিন্তু খুব সহজে পাওয়া যায় এই বিষয়টি লক্ষ্য রাখতে হবে।

৩. বড় ভাইদের সাথে অবশ্যই যোগাযোগ করবেন কেননা অনেকে আছে টিউশনি পড়ায় বর্তমানে তাদের নানা রকম সমস্যার কারণে তারা কেউ টিউশনি বাদ দিতে চায়। আপনি যদি তাদের সাথে আগে থেকেই পরিচিত থাকেন তাহলে কিন্তু সেই টিউশনি আপনার হাতে দিবে সেই বড় ভাইটি। কেননা যখন একজন টিউটর তার ছাত্র ছাত্রীদের আর পড়াতে চায় না তখন অবিভাবকরা তাকে একটি নতুন টিউটর খুঁজে দেওয়ার অনুরোধ করে। বড় ভাইদের সাথে কি আপনারা আগে থেকে যোগাযোগ রাখেন তাহলে কিন্তু পরবর্তীতে আপনাকে সেই টিউশনি দেওয়ার চান্স থাকে। এ জন্য আপনারা চেষ্টা করবেন আপনার ইউনিভার্সিটি এবং এলাকার আশেপাশে বড় ভাই যারা রয়েছে তাদের সাথে যোগাযোগ রাখার।

৪. নানারকম কোচিং সেন্টার রয়েছে সেখানে আপনারা চাইলে গেস্ট টিচিং করতে পারেন। এটি খুবই জনপ্রিয় আপনাকে সবার মাঝে তুলে ধরার ক্ষেত্রে আপনি যখন একটি কোচিং সেন্টারে এটি খুবই জনপ্রিয় আপনাকে সবার মাঝে তুলে ধরার ক্ষেত্রে আপনি যখন একটি কোচিং সেন্টারে আপনি যদি পড়ান তাহলে আপনার পরিচিতি সেখানে বাড়বে এবং নানারকম শিক্ষার্থী আপনার সাথে পরিচিত হবে এবং আপনার পড়ানোর ইসকিল যদি ভালো হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই সেই শিক্ষার্থীরা আপনার সাথে প্রাইভেটলি পরতে চাইবে তখন আপনারা খুব সহজেই একটি টিউশনি পাবেন।

৫. আপনারা জানেন বর্তমানে অনলাইন ক্লাস খুবই জনপ্রিয় একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রত্যেকটি শিক্ষার্থীর জন্য। এখন আপনি যদি অনলাইনে নানা রকম ক্লাস করে সেগুলো ফেসবুকে দেন অন্যরা কিন্তু আপনাকে স্কিল দেখতে পারবে আপনার যদি ফেসবুক পেজ থাকে সেখানে আপনার এই পড়ানোর ভিডিও গুলো দিয়ে শিক্ষার্থীদের আকর্ষণ আপনার দিকে আনতে পারেন। পরবর্তীতে অনেকে আপনার পড়ানোর দক্ষতা দেখে আপনার কাছে করতে চাইবে। তখন তাহলে বুঝতেই পারছেন অনলাইন ক্লাস করে কিভাবে আপনি আপনার দক্ষতা অন্যদের মাঝে শেয়ার করবেন এবং সেখান থেকে টিউশনি পাবেন।

সুন্দরভাবে টিউশনি করানোর উপায়

টিউশনি পাওয়ার পর কিছু নিয়ম আপনাকে মানতে হবে। এই বিষয়গুলোর মানলে আপনারা খুব সহজেই আরো বহু সংখ্যক ছাত্রছাত্রী টিউশনি হিসেবে পেয়ে যাবে। অনেকগুলো বিষয় রয়েছে যা আপনাকে একজন দক্ষতা পূর্ণ টিউটর হিসেবে অন্যদের মাঝে তুলে ধরবে।

বর্তমানে অনেক টিউটরকে দেখা যায় পড়ানোর সময় মোবাইল চাপাচাপি করতে। কিন্তু আপনি যখন একজন শিক্ষার্থীকে পড়াবেন তখন যদি আপনি আপনার মোবাইল চাপেন তাহলে কিন্তু শিক্ষার্থী অস্বস্তি বোধ করতে পারে। এজন্য আপনার মোবাইল ব্যবহার করা এই অভ্যাসটি অন্ততপক্ষে টিউশনি করার সময় দেখাবেন না। একজন শিক্ষার্থীকে অবশ্যই খুব গুরুত্বের সহিত আপনাকে পড়াতে হবে এজন্য তখন অন্য কোন কাজ করা থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়।

শিক্ষার্থীর সাথে ভালোভাবে কথা বলা আপনি যখন কোনো শিক্ষার্থীকে পড়াবেন তখন অবশ্যই সেই শিক্ষার্থীর সাথে ভালভাবে কথাবার্তা বলবেন। কেননা শিক্ষার্থী আপনার ব্যক্তিত্ব এবং আপনার ব্যবহার আচার দেখে ভালো টিউটর হিসেহিসেবে আপনাকে প্রাধান্য দেয়।
শিক্ষার্থীকে গাইড বই দেখে না পড়ানো এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনি যদি কোনো শিক্ষার্থীকে গাইড বই দেখে অংক বা অন্য কিছু বুঝিয়ে দেন তাহলে কিন্তু সেই শিক্ষার্থীর মনে আপনার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। এজন্য আপনি সেই বিষয়টির উপর আগে থেকেই জ্ঞান অর্জন করে তারপর সেই শিক্ষার্থীকে বোঝাতে যাবে তাহলে আপনি আপনার ভালো একটি গুণ শিক্ষার্থীর মাঝে তুলে ধরতে পারবেন।
স্পেশাল টিপসঃ পড়ানোর সময় অন্য সব টিউটরদের থেকে আলাদা নতুন কিছু যদি আপনি আপনার শিক্ষার্থীর সামনে প্রকাশ করতে পারেন। তাহলে অবশ্যই কিন্তু সেই শিক্ষার্থীর আপনার পড়ানো কে গুরুত্ব দিবে এজন্য আপনি যদি কয়েকটি বিষয় শিক্ষার্থীকে ভালোভাবে বোঝাতে চান তাহলে কিন্তু খুব সহজেই শিক্ষার্থী আপনার কথাগুলো প্রতি মনোযোগী হবে। শিক্ষার্থীকে নানারকম বিষয়ে বোঝাতে চেষ্টা করবেন নানারকম উপায়। এছাড়াও আপনার নিজের কাজগুলো করতে পারেন।
  • শিক্ষার্থীর পড়ার রুটিন তৈরি করে দেওয়া।
  • প্রতিনিয়ত ও শিক্ষার্থীদের বাড়ির কাজ দেওয়া।
  • প্রতি সপ্তাহে বা মাসের শিক্ষার্থীদের নানারকম কুইজ টেস্ট নেওয়া।
  • শিক্ষার্থীদের সাথে মন খুলে নানা রকম গল্প বিনোদনের মাঝে পরানো।
  • শিক্ষার্থীদের সাথে হাসিমুখে কথা বলা।

তো আজকে এ পর্যন্তই। আশা করি আপনাদেরকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য দিতে পেরেছি। আপনার এই তথ্যগুলো মোতাবেক কাজ করলেই খুব সহজেই বুঝে যাবেন এবং একজন ভালো টিউটর হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারবেন। আজকে আমরা এই আর্টিকেলটি সমাপ্তি টানতে দেখা হবে আরো কোন নতুন নাম আর্টিকেল নিয়ে সে পর্যন্ত ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন আমাদের এই ওয়েবসাইটটি সঙ্গেই থাকুন আল্লাহ হাফেজ!!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *